অধম্য মেধাবী সুমা রায়ের পাশে বসুন্ধরা গ্রুপ


আবদুল্লাহ আল নোমান।
খালের পাড় ঘেষে সরু রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে গেলেই ছোট্ট একটি দোচালা টিনের ঘর। কাগজের ছাউনির রান্নাঘরটি বলতে গেলে খালের উপরেই। দুই শতাংশ ভিটার উপরে ঘর বাদে ফাঁকা জায়গা নেই একদম। এখানেই ছোট্ট দুই ভাইবোন আর বাবা মাকে নিয়ে সুমা রায়ের বসবাস। বাবা ভিক্ষা করেন। মা অন্যের জমিতে কখনো বাড়িতে কাজ করেন। এমন অতিদরিদ্র পরিবারের সন্তান হয়েও নিজের মেধায় গ্রাম আলোকিত করেছে সুমা রায়। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ ৫ পেয়েছে সে। কখনো একবেলা খেয়ে আবার কখনো চিড়া মুড়ি খেয়ে কেটেছে তার দিন।

মায়ের সাথে কখনো কখনো অন্যের জমিতে কাজও করেছে। এত কষ্টের পরেও বন্ধ হয়নি অদম্য মেধাবী সুমা রায়ের পড়াশোনা। শত অভাব আর প্রতিবন্ধকতার মাঝেও পড়ালেখা চালিয়ে গেছে সে। এবার কলেজে ভর্তির পালা। কিভাবে চলবে পড়াশোনা, এই ভাবনায় যখন দিশেহারা সুমা রায়, তখনই তার পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের শীর্ষ শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপ। শুভসংঘের তত্ত্বাবধানে সুমা রায়ের উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করতে তাকে ভর্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। নিশ্চিত করেছে তাদের পরিবারের তিনবেলা খাবারের। পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করতে তাদেরকে কিনে দেওয়া হয়েছে তিনটি ছাগল, সাতটি হাস ও ছয়টি মুরগী। পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে কিনে দেওয়া হয়েছে দুইসেট করে নতুন জামা। একসাথে এতকিছু হাতে পেয়ে আনন্দে কেদে ফেলেন সুমা রায়ের মা।…